fbpx

ডিসেম্বরের মধ্যে টিকার আওতায় আসবে ৫০ শতাংশ জনগণ

Pinterest LinkedIn Tumblr +

বিশ্ব সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার ৫০ ভাগকে টিকার আওতায় আনা হবে। এছাড়া ১২ বছর ও তার বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকার আওতায় আনা হবে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

টিকা কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার ৫০ ভাগকে টিকার আওতায় আনার জন্য বিশ্ব সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১২ বছর ও তদূর্ধ্ব সকল শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা্র চেষ্টা করা হবে। আর প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সুবর্ণ কার্ডের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্নপূর্বক টিকা প্রদান করার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও সারা দেশের শ্রমিকদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে টিকা প্রদান করবে সরকার।

জাতীয় সংসদকে প্রধানমন্ত্রী জানান, ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসের ৯৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৯ ডোজ টিকা মজুত রয়েছে। বর্তমানে ১৮ বছরের ওপরের সকল বাংলাদেশি নাগরিককে করোনা টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই কোটি নয় লাখ ২২ হাজার ৭১৫ জনকে প্রথম ডোজ এবং এক কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৪৬ জনকে দ্বিতীয় ডোজসহ মোট তিন কোটি ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার ৭৬১ ডোজ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, `বর্তমানে দেশে ২৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার জন্য বয়সসীমা ১৮ পর্যন্ত কমানো হয়েছে।’

সংসদ নেতা বলেন, `টিকা সংগ্রহের জন্য সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের গৃহীত এ সকল কার্যক্রমের ফলে এ পর্যন্ত (১২ সেপ্টেম্বর) ২৪ কোটি ৬৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৬০ ডোজ টিকা সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় ক্রয় চুক্তি এবং উপহার হিসাবে মোট ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ ডোজ টিকা পাওয়া গেছে। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা সংগ্রহ ও বিনা মূল্যে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, `দেশের ৬৭৩টি টিকা কেন্দ্রের মাধ্যমে জনগণকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকা দেওয়ার কেন্দ্র ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে। এরই মধ্যে জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। সকলের সহযোগিতায় চলমান এই বৈশ্বিক মহামারিকে সফলভাবে মোকাবিলা করা সক্ষম হব। পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। এ জন্য টিকা গ্রহণের পাশাপাশি সবাইকে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।’

Share.

Leave A Reply