fbpx

মুশফিক-সৈকত বীরত্বে জয়ে ফিরলো আবাহনী, জয় পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক-ব্রাদার্স

Pinterest LinkedIn Tumblr +

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে মঙ্গলবার নিজ নিজ খেলায় জয় পেয়েছে আবাহনী লিমিটেড, ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে জয়ে ফিরেছে আবাহনী লিমিটেড, তাদের প্রতিপক্ষ ছিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে পারটেক্স হেরেছে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে।

আবাহনী বনাম গাজী গ্রুপের ম্যাচ সবকিছু ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিল দেশের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের লড়াই। মুশফিক আর রিয়াদের ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছেন মুশফিকুর রহিম। মুশির ব্যাটে ভর করে আবাহনী জিতেছে ৭ উইকেটে। জিতেছে তামিমের প্রাইম ব্যাংকও।শেখ জামালকে তারাও হারিয়েছে ৭ উইকেটে। হারের বৃত্ত থেকে বেরই হতে পারছে না পারটেক্স। ব্রাদার্সের বিপক্ষে তাদের হার ৩৩ রানে।

মিরপুরে টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন আবাহনী অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। সৌম্য সরকারের সঙ্গে উড়ন্ত সুচনা এনে দেন শেখ মেহেদি। ৪৩ রান করে মেহেদি ফিরে গেলেও অবিছল ছিলেন সৌম্য । তার ৬৭ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে আবাহনীকে ১৫১ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। লেগস্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব মাত্র ১৯ রানে নেন ২ টি উইকেট। ১৫১ লক্ষ্যে ব্যাট করতে দলীয় ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায় আবাহনী, নবম ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৮। সেখান থেকে আবাহনীকে পথ দেখান মুশফিক এবং মোসাদ্দেক। আগের ম্যাচে মোসাদ্দেকের সামনে সুযোগ ছিল ম্যাচ শেষ করার, দলকে জেতানোর। আগেরদিন না পারলেও মঙ্গলবার পেরেছেন। মুশির ৫৩ রানের সঙ্গে মোসাদ্দেক করেন কাটায় কাটায় ৫০। তাতেই জয় নিশ্চিত হয় আবাহনীর।

বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান সংগ্রহ করে শেখ জামাল। সোহরাওয়ার্দী শুভর ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৪ রান, সৈকত আলীর করেন ২৮। প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে রুবেল হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমান দুটি করে উইকেট শিকার করেন। অল্প রানের তাড়ায় ব্যাটিং করতে নেমে ধীরগতির ব্যাটিং করেন তামিম। তবে দলকে পথ দেখান রনি তালুকদার। তামিম ২৬ বলে ২৩ করে ফিরে গেলেও রনি তালুকদার করেন ৪৮। দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন এনামুল বিজয়। তার উইলো থেকে আসে ৩৫ রান। তামিমদের জয় ৭ উইকেটে।

বিকেএসপিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে পারটেক্সের বোলিং লাইনআপের তোপের মুখে পড়ে ব্রাদার্স। তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ। চাপের মুখে ৪৪ বলে ৫৪ রান করে দলকে এনে দেন সম্মানজনক সংগ্রহ। দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলা সাহাদাত হোসেন রাজীব নিয়েছেন ২ উইকেট । ১৪৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পারটেক্স। স্কোরবোর্ডে কোনো রান তোলার আগেই প্রথম উইকেট হারায় তারা, সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি তারা, গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ধীমান ঘোষ। ব্যাট হাতে অর্ধশতক করা রাহাতুল জাভেদ বল হাতেও ছিলেন উজ্জ্বল। তার শিকার ৪টি উইকেট।

Share.

Leave A Reply