fbpx

সিঙ্গার ইলেকট্রনিক্সের গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

Pinterest LinkedIn Tumblr +

সাভারে সিঙ্গার ইলেকট্রনিক্সের গোডাউনের আগুন ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে, বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন স্থানে এখনো আগুন জ্বলছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সাভারের রাজফুলবাড়িয়ার জোরপুল এলাকায় সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সাভারের রাজফুলবাড়িয়ার জোরপুল এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিঙ্গারের গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। প্রথমে সাভার ফায়ার সার্ভিস ও ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের মোট চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে, সাভার স্টেশন, সাভার ট্যানারি ফায়ার সার্ভিস, মিরপুর ফায়ার সার্ভিস, কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের আরও অন্তত ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যোগ দেয়। মোট ১১টি ইউনিটের ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।

সূত্র থেকে আরও জানা যায়, সিঙ্গারের গোডাউনে থাকা সহস্রাধিক রেফ্রিজারেটরসহ বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক্স মালামাল আগেই পুড়ে গিয়েছিল। তবে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। সিঙ্গার বাংলাদেশের তৈরি হোম এপ্লায়েন্সের ইলেকট্রনিক্স পণ্য রাখা হতো ওয়্যারহাউজটিতে।

ওয়্যারহাউসটিতে ইলেকট্রনিক্স দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন অল্প সময়ের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত

অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আবদুল আলীম সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওয়্যারহাউসটিতে ইলেকট্রনিক্স দাহ্য পদার্থ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আর তাই প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদেরকে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তদন্তের আগেই বলা যাবে না বলে জানান আবদুল আলীম।

এদিকে, সাভার সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ফলে সাময়িকভাবে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে যানচলাচল আবারও স্বাভাবিক করা হয়।

Share.

Leave A Reply