fbpx

৯৭ শতাংশ অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চায়   

Pinterest LinkedIn Tumblr +

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ৯৭ দশমিক ৭ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৯৬ শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। সম্প্রতি এক জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)-এর যৌথ গবেষণা জরিপে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা এক  বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। এ অবস্থায় প্রাইমারিতে ১৯ শতাংশ এবং  মাধ্যমিকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনার বাইরে আছে।

জরিপে বলা হয়েছে, দেশের ৯৭ দশমিক ৭ শতাংশ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা বলছেন, স্কুল খুললে তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন। আর মাধ্যমিকের ৯৬ শতাংশ অভিভাবকও তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।

গত ১১ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত শহর ও মফস্বলের প্রায় ৬ হাজার ৯৯ জন অভিভাবকের ওপর জরিপ চালিয়ে গবেষণাটি করা হয়।

সেখানে বলা হয়, করোনার কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৫৯ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী ন্যূনতম শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাই করোনাভাইরাসের গতিবিধি দেখে আবার স্কুল চালুর প্রস্তুতি নিতে হবে।

জরিপে দেখা গেছে, প্রাথমিকের ৫১ শতাংশ ও মাধ্যমিকের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনার ক্ষতি এড়াতে কোচিং ও গৃহশিক্ষকের মাধ্যমে পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এই সময় শিক্ষার ব্যয় গ্রামীণ পরিবারে ১১ গুণ ও শহুরে পরিবারে ১৩ গুণ বেড়ে গেছে।

অন্যদিকে প্রাথমিকের ১৯ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী শিখতে না পারার (লার্নিং লস) ঝুঁকিতে রয়েছে। পুনরুদ্ধার কর্মসূচি হাতে নিয়ে শিক্ষার্থীদের না শেখালে তারা ঝরে পড়বে বলেও জরিপে উঠে এসেছে।

জরিপে আরও দেখা গেছে, করোনায় শহরে থাকা ১০ থেকে ২০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা গ্রামের শিক্ষার্থীদের তুলনায় দ্বিগুণ মানসিক চাপে রয়েছে।

অভিভাবকরা জানিয়েছে, তাদের সন্তানদের মাঝে অধৈর্য ভাব প্রকাশ, রাগ বা উগ্রভাব এবং বাইরে যেতে ভয় পাওয়ার লক্ষণ দেখা গেছে। ঘরের বাইরে যেতে ভয় পাওয়ার বিষয়টি গ্রামের চেয়ে শহরের তরুণদের মাঝে বেশি।

জরিপে পিতামাতার আচরণ ও সম্পৃক্ততাও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

Share.

Leave A Reply